www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫: জুলাই অভ্যুত্থানের পর তরুণ সমাজ জাতির পুনর্গঠনে এগিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। তিনি আরও বলেন, “সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবগুলো অংশীজনদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।”
আজ মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় ঢাবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে তারুণ্যের উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাবির উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ সাইফুজ্জামান, তারুণ্যের উৎসব উদযাপন কমিটির প্রধান ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, “সারাদেশে তারুণ্যের উৎসব হচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এদেশের তরুণসমাজ জাতিকে একটু নতুন স্বপ্ন দেখানোর যে প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে, তা সফল করার ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। দেশকে পুনরুদ্ধারে তারা যেভাবে আত্মত্যাগ করেছে, দেশ পুনর্গঠনেও তারা একইভাবে এগিয়ে আসবে। প্রত্যেকটি সেক্টরে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দেবে এবং আধুনিক বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।”
আসিফ মাহমুদ বলেন, “এই অভ্যুত্থানের বাংলাদেশে মানুষকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের একটি স্বপ্ন দেখিয়েছে। সে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করছে। সংস্কার কমিশন তাদের প্রস্তাবনা পেশ করেছে। অংশীজনদের সাথে পরামর্শের মাধ্যমে সেই প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রকাঠামোর যেই অঙ্গগুলো বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, সেগুলো পুনর্গঠন হবে। এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার দিকে অগ্রসর হবে।”
ঢাবি উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, “দলান্ধ হিংস্র বিভাজনের রাজনীতির খারাপ দিক হচ্ছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া। জনপ্রশাসনের বিরুদ্ধে এনজিওদের, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে এনজিওদের। এভাবে আমরা ক্ষতি করেছি।”
নিয়াজ আহমেদ বলেন, “আমাদের পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। আমরা রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছি। যদি গভীর ও নিগূঢ় বাধা তৈরি করা হোক না কেন, বাংলাদেশ উঠে দাঁড়িয়েছে। যথেষ্ট বিভাজন হয়েছে, আর নয়।”