www.HelloBangla.Newsআন্তর্জাতিক ৩০  জানুয়ারি, ২০২: যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির মাঝআকাশে আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি যাত্রীবাহী বিমানের সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পরিবহন বিভাগের ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)

বিবিসি যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী সিবিএস নিউজকে এফএএ জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় রাত নয়টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা) রিগ্যান ওয়াশিংটন জাতীয় বিমানবনন্দরের কাছে ঘটনাটি ঘটেছে ওই সময় বিমানটি বিমানবন্দরের রানওয়ে ৩৩ এর দিকে এগুচ্ছিলো সংঘর্ষের পর সেটি ওয়াশিংটনের পটোম্যাক নদীতে বিধ্বস্ত হয়েছে

যাত্রীবাহী বিমানটিতে মোট ৬০ জন যাত্রী এবং চারজন ক্রু সদস্য ছিলেন। আর হেলিকপ্টারে তিনজন মার্কিন সৈন্য ছিলেন।

হতাহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না করা গেলেও আমেরিকায় বিবিসির পার্টনার সিবিএস নিউজকে পুলিশ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন তারা। ধারণা করা হচ্ছে বিমানের কেউ বেঁচে নেই। 

স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির রিগ্যান ওয়াশিংটন জাতীয় বিমানবন্দরের কাছে মাঝ আকাশে উড়োজাহাজের সঙ্গে হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উড়োজাহাজটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটি নদীতে পড়ে। হেলিকপ্টারটিও বিধ্বস্ত হয়ে উড়োজাহাজটির কাছাকাছি নদীতে পড়ে। 

মার্কিন সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত হেলিকপ্টারটি ছিল ইউএইচ-৬০ মডেলের।

ভুক্তভোগীদের স্বজনরা জানিয়েছেন, তারা বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে খুব কম তথ্য পাচ্ছেন। এক নারী কান্না করতে করতে বলেন, আমি জানি না সে সেখানে (প্লেনে) উঠেছে কি না।

ওয়াশিংটনের কেনেডি সেন্টারের একটি ওয়েব ক্যামেরায় মাঝ আকাশে একটি বিস্ফোরণ হতে দেখা গেছে। আমেরিকান এয়ারলাইনসের সিইও রবার্ট আইসাম বলেছেন, আমরা জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ডের তদন্তে সহযোগিতা করছি এবং যতটুকু সম্ভব তথ্য প্রদান করতে প্রস্তুত আছি।

পুলিশ জানিয়েছে, পোটোমাক নদীতে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে একাধিক সংস্থা কাজ করছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরুরি কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর কারণে সব উড্ডয়ন এবং অবতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি দুর্ঘটনার বিষয়ে পুরোপুরি অবগত। 

২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারির পর যুক্তরাষ্ট্রে কোনো মারাত্মক প্লেন দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকটি কাছাকাছি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।