www.HelloBangla.Newsরাজনীতি১৫  জানুয়ারি, ২০২:  জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টের রায় বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে হাইকোর্টের ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এছাড়া আপিল করতে না পারলেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য আসামিদের খালাস দিয়েছেন আদালত।

হাইকোর্টের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর আজ বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এর আগে খালেদা জিয়ার আপিলের ওপর চার কার্যদিবস শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়।

এই মামলায় হাইকোর্টের দেয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা আপিলের চতুর্থ দিনের শুনানি শেষে আজকের দিনটি রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছিলো।

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিন দিন শুনানি হয়। এরপর গতকাল মঙ্গলবার চতুর্থ দিনের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজ বুধবার দিন ধার্য করা হয়েছে।

মূলত, ২০০৮ সালে তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন। এই মামলাতেই সাজা পেয়ে দুর্নীতির দায়ে প্রথমবারের মতো কারাগারে যেতে হয় খালেদা জিয়াকে।

২০১৮ সালের আটই ফেব্রুয়ারি পুরনো ঢাকার বিশেষ আদালতের বিচারক তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। ওইদিনই কারাগারে যান তিনি। পরবর্তীতে বিদেশে না যাওয়ার মতো শর্ত সাপেক্ষে নির্বাহী আদেশে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়, যা ছয় মাস পরপর মেয়াদ বৃদ্ধি করা হতো।

এ মামলার অভিযোগ ছিল, এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে পাওয়া দুই কোটি ১০ লাখের বেশি টাকা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দেয়া হলেও, তা এতিম বা ট্রাস্টের কাজে ব্যয় করা হয় নি। বরং সেই টাকা নিজেদের হিসাবে জমা রাখার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

রায়ে খালেদা জিয়ার একমাত্র জীবিত সন্তান তারেক রহমান, যিনি এখন ব্রিটেনে বসবাস করছেন এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্বও পালন করছেন, তাকেও দশ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়।