www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫: প্রধথ থেকে ধারাবাহিক ৮টি ম্যাচ জেতার পর শেষে এসে খেই হারিয়ে ফেলেছে রংপুর। যদিও রংপুরের প্লে অফ নিশ্চিত হয়েছে তার পরেও সম্প্রতিক পারর্ফম্যান্সে হাতাশায় রয়েছে সমর্থকরা। আজ তারা হেরেছে খুলনার কাছে ৪৬ রানে। আর এই জয়ে প্লে অফের সমীকরণ জমিয়ে তুললো খুলনা।
৪৬ রানের ১১ ম্যাচ থেকে তাদের সংগ্রহ ১০ পয়েন্ট। নিজেদের শেষ ম্যাচ জিততে পারলেই সেরা চারে জায়গা করে নেবে তারা। আর হারলে বিদায় নিতে হবে। খুলনা পরের ম্যাচ জিতলে কপাল পুড়তে পারে রাজশাহী বা চিটাগাংয়ের।
অবশ্য চিটাগাং সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। তাদের দুই ম্যাচ এখনো বাকি। দুই ম্যাচের একটিতে জিতলেও হিসেব ছাড়াই সেরা চার নিশ্চিত হবে তাদের। এমনকি দুই ম্যাচের দুটিতেই হারলেও প্লে অফের সম্ভাবনা থাকবে তাদের। অন্যদিকে রাজশাহীর কোনো ম্যাচ বাকি না থাকায় অন্যদের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কিছুই করার নেই তাদের।
রংপুর ব্যাটারদের সামনে জয়ের লক্ষ্য ছিল ২২১ রানের। এত বড় লক্ষ্য তাড়া করে আর জেতা হয়ে উঠেনি নুরুল হাসান সোহানের দলের।
শুরু থেকে একাই লড়াই করেছেন সৌম্য সরকার। ওপেন করতে নেমে ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত খেলেছেন। কিন্তু তার ঝোড়ো ইনিংসটি দলের পরাজয়ের ব্যবধান কমানো ছাড়া আর কোনো কাজে আসেনি। ৪৮ বলে ৭৪ রানের ইনিংসে ৬টি চার আর ৫টি ছক্কা হাঁকান সৌম্য। এছাড়া শেখ মেহেদী ১৪ বলে দুটি করে চার–ছক্কায় ২৭, ইফতিখার আহমেদ ১৫ বলে ১৯, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১০ বলে ১৮ আর রাকিবুল হাসান ৬ বলে ২ ছক্কায় করেন ১৪ রান।
দলে সুযোগ পেয়েই মুশফিক হাসান ২৪ রানে শিকার করেন ৩টি উইকেট। ৮ রানে ২ উইকেট নেন মোহাম্মদ নওয়াজ।
এর আগে ওপেনার নাইম শেখের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে ২২০ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েছিল খুলনা টাইগার্স। শেরে বাংলায় বাঁচামরার ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেন খুলনা অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। নাইম শেখের সঙ্গে ওপেন করে বিধ্বংসী হয়ে খেলার চেষ্টাও করেন তিনি।
মিরাজের ইনিংসটা অবশ্য বড় হয়নি। প্রথম ওভারেই ১৬ রান তোলা মিরাজ আউট হয়ে গেছেন ১২ বলে ২১ রান করে। অ্যালেক্স রস ১৪ বলে ১২ রান করে আউট হন।
২১ বলে ৩৬ রান করে খুলনাকে বড় পুঁজি গড়ার পথে সহায়তা করেন উইলিয়ান বসিস্টো। তৃতীয় উইকেটে নাইম শেখের সঙ্গে ৪৭ বলে ৮৮ রানের জুটি করেন তিনি।
চতুর্থ উইকেটে মাহিদুল ইসলাম অংকনকে নিয়ে আরও একটি ঝোড়ো জুটি করেন নাইম। এই জুটিতে তারা যোগ করেন ৩২ বলে ৭০ রান। ৫৫ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন নাইম। ১৫ বলে ২৯ রান করে অংকন আউট হলে জুটি ভাঙে। শেষ পর্যন্ত নাইম শেখ অপরাজিত থাকেন ৬২ বলে ১১১ রানে। ৭ চারের সঙ্গে হাঁকান ৮টি ছক্কা।
রংপুরের হয়ে ১টি করে উইকেট শিকার করেন শেখ মেহেদী, আকিফ জাভেদ ও ইফতেখার আহমেদ।
ম্যাচ সেরা হয়েছেন নাইম শেখের