www.HelloBangla.Newsখেলাধুলা জানুয়ারি, ২০২: বিপিএলে এক ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন তাসকিন। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের একটি ম্যাচে খেলায় একজন বোলার যখন মাত্র ৪ ওভার বোল করার সুযোগ পায় তখন সাত উইকেট নেওয়ার সাফল্য সচরাচর খুব কমই চোখে পড়ে। এই উইকেট নিতে তাসকিন দিয়েছেন ১৯ রান। বিষয়টি অবশ্যই অবাক করার মত। টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে মাত্র তৃতীয় বোলার হিসেবে ৭ উইকেট পেলেন তাসকিন। আগের দুইজন সাত উইকেট পেলেও রান দিয়েছেন কম। 

এই তালিকার প্রথমে রয়েছে মালয়েশিয়ার  সিয়াজরুল ইদরুসের। ২০২৩ সালে চীনের বিপক্ষে ৮ রানে ৭ উইকেট পেয়েছিলেন মালয়েশিয়ান পেসার। ইদরুস ভাঙেন নেদারল্যান্ডসের কলিন অ্যাকারম্যানের রেকর্ড। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ড ভাইটালিটি ব্ল্যাস্ট টি-টোয়েন্টিতে লেস্টারশায়ারের জয়ে বার্মিংহাম বিয়ার্সের বিপক্ষে ১৮ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন ডাচ অফ স্পিনার।

তাসকিনের দিনে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে ব্যাটিং করে ঢাকা ৯ উইকট হারিয়ে করে ১৭৪ রান।  ১৭৫ রানের জয়ে লক্ষ্যে খেলতে নেমে, রাজশাহী তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ১৮.১ ওভারে রাজশাহী করেছে ১৭৯ রান। 

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১১ আসরের ইতিহাসে এটাই এখন সেরা স্পেল। পেছনে ফেলেছেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমিরের ১৭ রানে ৬ উইকেট নেয়ার কীর্তিকে। নিজের দ্বিতীয় ফাইফারের দিনে তাসকিন বদলালেন ইতিহাস। সঙ্গে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারীও এখন তাসকিন। 

শুরুটা করেছিলেন লিটনকে দিয়ে। ৫ বলে শূন্য রান করে ক্যাচ দিয়েছিলেন ইয়াসির আলী রাব্বির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লিটন। এরপর তাসকিন ফেরান তানজিদ হাসান তামিমকে। ঢাকার স্কোরবোর্ড এরপর সচল রেখেছিলেন শাহাদাত হোসেন দীপু। ৪০ বলে ৫০ করা দীপুকেও প্যাভিলিয়নে পাঠান এই পেসার। চতুরঙ্গ ডি সিলভা, আলাউদ্দিন বাবু আর মুকিদুল ইসলামকেও টিকতে দেননি। 

এতেই তার নাম উঠে যায় বিপিএলের সেরা বোলিং ফিগারে। তবে জায়গাটা ভাগ করতে হচ্ছিল মোহাম্মদ আমিরের সঙ্গে। ইনিংস শেষের এক বল বাকি থাকতে তাসকিন নিলেন শুভাম রঞ্জানের উইকেট। তাতেই বাংলাদেশি পেসারের নামটা উঠল বিশ্বরেকর্ডের পাতায়। 

তাসকিনের আগে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ৬ উইকেট নেয়ার নজির ছিল সাকিব আল হাসানের। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল)-এর ম্যাচে ৬ রানের খরচায় নিয়েছিলেন ৬ উইকেট।