www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৯ জানুয়ারি, ২০২৫: গণতন্ত্র ফেরাতে ‘বিভেদ নয়, ঐক্যের’ আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচিত সংসদ ও নির্বাচিত সরকার ছাড়া কোনও সংস্কারের বৈধতা আমরা দিতে পারবো না।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) একটি গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আমরা যেন বিভক্তির রাজনীতি না করি। এখন যেটা প্রয়োজন দেশকে বাঁচানোর জন্য, গণতন্ত্রকে ফিরে পাওয়ার জন্য, আমাদের প্রয়োজন ঐক্য….স্ট্রাকচার তৈরি করেন… সংস্কার অবশ্যই লাগবে।”
বৃহস্পতিবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আদালতের জবানবন্দি নিয়ে প্রকাশিত বই ‘রাজবন্দীর জবানবন্দি’ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে কথা বলেন দলটির মহাসচিব।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “হাসিনা চলে যাওয়ার পর থেকে আমরা কেন জানি না নিজেদের মধ্যে আবার বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারছি না। ঐক্যের জায়গাটাতে থাকতে পারছি না। এখন যেটা শুরু হয়েছে, আমি মনে করি এটা কোনো সুস্থ ব্যাপার না। একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে ক্ষমতায় টিকে থাকবার জন্য।”
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, “দেশনেত্রী মুক্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গেলেন রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নিয়ে। পথে পথে লাখো মানুষ বিদায় জানিয়েছে এবং তিনি আন্তর্জাতিকভাবে যে সম্মানটুকু পেয়েছেন, কোথাও বাধা পেতে হয়নি। আমরা যেখানেই বলেছি, আমাদের এই ভিসা দরকার, সঙ্গে সঙ্গে করে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন,“ম্যাডামের প্রতি সম্মান হিসেবে কাতারের আমির যে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছেন, সেজন্য আমিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি ধন্যবাদ জানাই ব্রিটিশ সরকারকে, তারা লন্ডনে যাওয়ার ব্যাপারটা নিশ্চিত করেছেন এবং সেখানে আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবসহ যারা আছেন, তারা সেখানে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা শুরু করতে পেরেছেন।”
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সাবেক সচিব ইসমাইল জবিহউল্লাহর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল।
অন্যদের মধ্যে সাংবাদিক শফিক রেহমান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুজ্জামান খান শিমুল, মাহমুদা হাবিবা, অনলাইট অ্যাক্টিভিস্ট হুমায়ুন কবীর, রেজাউর রহমান, ফসিউল আলম, কাজল রহমান, শিপন মোল্লা, ওয়াসিম ইফতেখারুল হক, আবদুর রহমান নূর রাজন ও রেজওয়ানুল হক শোভন বক্তব্য দেন।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন মঙ্গলবার ডেনিশ টেলিভিশনকে বলেন, “গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা গ্রিনল্যান্ডবাসীর” এবং কেবল স্থানীয় জনগণই এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ডেনমার্কের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতাও প্রয়োজন।
মাত্র ৫৭ হাজার জনসংখ্যার দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে স্বায়ত্তশাসন রয়েছে, তবে এর অর্থনীতি মূলত কোপেনহেগেন থেকে আসা ভর্তুকির ওপর নির্ভরশীল এবং এটি এখনও ডেনমার্কের অংশ। প্রায় ৮০ শতাংশ অঞ্চল তুষারাবৃত হলেও এই দ্বীপে বিরল খনিজ পদার্থের সবচেয়ে বড় মজুদ রয়েছে, যা ব্যাটারি এবং উচ্চ-প্রযুক্তির ডিভাইস তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।